
দেশে উপকূলীয় অঞ্চল এখন জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক সংকটের মুখে রয়েছে।
বিশেষ করে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীর মতো জেলাগুলো ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট ও ভূমি ক্ষয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকায় কৃষিজমি ও বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবাদী সংগঠন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম। এজন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে পৃথক ও পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল সাতক্ষীরার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপকূলীয় এলাকার জলবায়ু সংকট, পরিবেশগত ঝুঁকি ও মানুষের জীবন-জীবিকার নানা দিক তুলে ধরে ২১ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাধব দত্ত। স্বাগত বক্তব্য দেন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের প্রধান সংগঠক ও সাংবাদিক নেতা শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন। এ সময় সংগঠনের উপদেষ্টা সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, বিভিন্ন নাগরিক নেতা, পরিবেশকর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এখন জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক সংকটের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীর মতো জেলাগুলো ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট ও ভূমি ক্ষয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকায় কৃষিজমি ও বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ বলেন, ‘গত দুই দশকে সিডর, আইলা, আম্পান ও রেমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লবণাক্ততা বাড়ার কারণে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নিরাপদ সুপেয় পানির সংকট, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জীবিকার অনিশ্চয়তা দিন দিন বাড়ছে।
একই সঙ্গে জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতিও বাড়ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন লিডার্সের অ্যাডভোকেসি ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মকর্তা বিপাশা অধিকারী ও কর্মসূচি কর্মকর্তা জয়দেব কুমার জোদ্দার।
আপনার মতামত লিখুন :