উপকূলে সুপেয় পানির হাহাকার ও লবণাক্ততা


নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
উপকূলে সুপেয় পানির হাহাকার ও লবণাক্ততা

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে পানির সংকট আজ সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। একসময় বৃষ্টির পানি, পুকুর ও দীঘি এবং অগভীর ও গভীর নলকূপ ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস। বর্ষা মৌসুমে সংগৃহীত বৃষ্টির পানি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ পানির ভরসা জুগিয়েছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পুকুর ও নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করেই চলত দৈনন্দিন জীবন।

আমাদের উপকূলীয় জীবন এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার আগ্রাসন এই দুই মিলিয়ে উপকূলীয় জীবনে নেমে এসেছে এক নীরব মানবিক বিপর্যয়। শ্যামনগর থানার মুন্সিগন্জ ইউনিয়ন, সুন্দরবন কোল ঘেশে বেড়ে ওঠা এই জনপদ। সুপেয় পানি আর লবনাক্ততা যেন তাদের জীবন পরিক্রমায় এক একটা অধ্যায় তৈরি করেছে। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন উপকূলীয় সংকটের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। সুন্দরবনের সন্নিকটে অবস্থিত এই জনপদ একদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও অন্যদিকে লবণাক্ততা, পানিসংকট ও জীবিকা অনিশ্চয়তার নির্মম বাস্তবতায় আবদ্ধ। এখানে জীবনযাপন মানেই প্রতিদিন নতুন করে টিকে থাকার সংগ্রাম। পানিসংকট, লবণাক্ততার বিস্তার, সামাজিক, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত প্রভাব সব মিলিয়ে লবণাক্ততা আজ উপকূলের মাটি, পানি ও মানুষের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে পানির সংকট আজ সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। একসময় বৃষ্টির পানি, পুকুর ও দীঘি এবং অগভীর ও গভীর নলকূপ ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস। বর্ষা মৌসুমে সংগৃহীত বৃষ্টির পানি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ পানির ভরসা জুগিয়েছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পুকুর ও নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করেই চলত দৈনন্দিন জীবন। কিন্তু ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার আগ্রাসনে এই উৎসগুলো আজ ভয়াবহভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ পুকুর ও দীঘির পানি লবণাক্ত হয়ে যাওয়ায় তা আর পানযোগ্য নেই, এমনকি গৃহস্থালি কাজেও ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠেছে। একইভাবে ভূগর্ভস্থ পানিতে লবণের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অগভীর ও গভীর নলকূপের পানিও নিরাপদ থাকছে না। উপকূলীয় এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নলকূপের পানিই লবণাক্ত, যা সুপেয় পানির সংকটকে আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে।

জানুয়ারী শেষে থেকে শুরু পানির হাহাকার, কিছুটা কমে যদি জুন জুলাই তে বৃষ্টির দেখা ও তার প্রভাব বৃদ্ধি পায়। তা নাহলে পানির হাহাকার চলতেই থাকে। কেনা পানির উপর নির্ভর করে জীবন চালাতে হয়।

আমাদের উপকূলীয় জীবন এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার আগ্রাসন এই দুই মিলিয়ে উপকূলীয় জীবনে নেমে এসেছে এক নীরব মানবিক বিপর্যয়। শ্যামনগর থানার মুন্সিগন্জ ইউনিয়ন, সুন্দরবন কোল ঘেশে বেড়ে ওঠা এই জনপদ। সুপেয় পানি আর লবনাক্ততা যেন তাদের জীবন পরিক্রমায় এক একটা অধ্যায় তৈরি করেছে। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন উপকূলীয় সংকটের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। সুন্দরবনের সন্নিকটে অবস্থিত এই জনপদ একদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও অন্যদিকে লবণাক্ততা, পানিসংকট ও জীবিকা অনিশ্চয়তার নির্মম বাস্তবতায় আবদ্ধ। এখানে জীবনযাপন মানেই প্রতিদিন নতুন করে টিকে থাকার সংগ্রাম। পানিসংকট, লবণাক্ততার বিস্তার, সামাজিক, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত প্রভাব সব মিলিয়ে লবণাক্ততা আজ উপকূলের মাটি, পানি ও মানুষের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে পানির সংকট আজ সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। একসময় বৃষ্টির পানি, পুকুর ও দীঘি এবং অগভীর ও গভীর নলকূপ ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস। বর্ষা মৌসুমে সংগৃহীত বৃষ্টির পানি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ পানির ভরসা জুগিয়েছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পুকুর ও নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করেই চলত দৈনন্দিন জীবন। কিন্তু ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার আগ্রাসনে এই উৎসগুলো আজ ভয়াবহভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ পুকুর ও দীঘির পানি লবণাক্ত হয়ে যাওয়ায় তা আর পানযোগ্য নেই, এমনকি গৃহস্থালি কাজেও ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠেছে। একইভাবে ভূগর্ভস্থ পানিতে লবণের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অগভীর ও গভীর নলকূপের পানিও নিরাপদ থাকছে না। উপকূলীয় এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নলকূপের পানিই লবণাক্ত, যা সুপেয় পানির সংকটকে আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে।

জানুয়ারী শেষে থেকে শুরু পানির হাহাকার, কিছুটা কমে যদি জুন জুলাই তে বৃষ্টির দেখা ও তার প্রভাব বৃদ্ধি পায়। তা নাহলে পানির হাহাকার চলতেই থাকে। কেনা পানির উপর নির্ভর করে জীবন চালাতে হয়।